শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ০৪:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

 শ্যালিকাকে স্ত্রী ভেবে ১১ মাস সংসার করলেন শাকিল, অতঃপর...     পাচঁ বছরের জন্য নেপালের জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার     দাগনভূঞায় দু’দিনের প্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে গাছের চারা ও বীজ বিতরণ     দাগনভূঞায় পাইথন প্রোগ্রামিং বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন     দাগনভূঞায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত     ফেনীর সোনাগাজীতে দৈনিক যায়যায়দিনে'র ১৯ তম বছরে পদার্পণ অনুষ্ঠান কেক কেটে উৎযাপন     তারেকের বিরুদ্ধে কিছু বললে সেটা পরের দিন পত্রিকায় পাই না: কাদের     আনারকে হত্যার পর ছবি পাঠানো হয় আ.লীগ নেতার হোয়াটসঅ্যাপে     দেশের ভিক্ষুকদের প্রশিক্ষণ দেবে সরকার: দীপু মনি     ফেনীতে বজ্রপাতে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু   

কেন্দুয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪ | সময় : ৬:৪০ অপরাহ্ণ

সাইফুল আলম দুলাল, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় রহস্যজনকভাবে বসতবাড়ীর বাইরাগের ঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা (চংনোয়াগাঁও) গ্রামের হাজী তারাবত খানের পুত্র আল আমীন এ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় থানায় দায়েরকৃত (৬ ফেব্রুয়ারী) অভিযোগে জানা যায়, রবিবার (৪ জানুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ১১:৫০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে । এতে করে ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র, পাট, লাকড়িসহ সম্পূর্ণ পুড়ে আনুমানিক ৫ লাখ ৫০ হজার টাকার ক্ষতিসাধন হয় । এছাড়াও পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যেই এ অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় অভিযোগে ।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারী) সরেজমিনে গেলে কথা হয় এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে । জানা যায় ঘটনার রাতে হাজী তারাবত খান ও তাঁর স্ত্রী ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিলো না । তাছাড়া ২২x০৮ হাত লম্বা যে ঘরটি পুড়ে একেবারে ভস্মীভূত হয়েছে সেই ঘরটিতে গরু কিম্বা মানুষ কেউ থাকতো না । সুতরাং ঘরে ধোঁয়া বা কয়েল জ্বালানোর প্রশ্নই আসে না । সেই ঘরে বিদ্যুৎ এর সংযোগও ছিলো না । সবার কাছে তাই এ অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি সন্দেহ ও রহস্যময় মনে হচ্ছে ।

ভুক্তভোগী হাজী তারাবত খান (৮০) বলেন, ঘরে এমনি এমনি আগুন লাগার কথা না । তবে কে বা কারা আগুন লাগিয়েছে দেখি নি । আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি ।

হাজী তারাবত খানের ছেলে আল আমীন (৩২) বলেন, ভয়ংকর আগুনে পুড়ে আমার ভীষণ ক্ষতি হয়ে গেলো । পূর্ব শত্রুতার জেরে কেউ এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে হয় ।

চিরাং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোঃ সোহাগ মিয়া বলেন, যে ঘরটা পুড়েছে সেই ঘরের আগুন দেখে চিরাং বাজার থেকে ছুটে আসি । কিন্তু কিভাবে আগুন লাগলো সেটা আসলে কারো জানা নেই ।

কেন্দুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ত্রিপল নাইনে কল পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছুটে গেলে দ্বিতীয় বারের মতো কল আসে । এবং জানানো হয় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে আসার দরকার নেই । তাই কাছাকাছি গিয়েও তারা ফিরে আসে ।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনামুল হকের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দুপুরে অভিযোগ করা হয়েছে । তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে ।