সোমবার ২০ মে ২০২৪ ০৪:০৫:৫১ অপরাহ্ণ

শিরোনাম

 সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন দাগনভূঞার সাবেক এসিল্যান্ড মেহরাজ     দাগনভূঞায় ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ     কেএনএফের নারী শাখার প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার     নবীকে নিয়ে ক'টু'ক্তি করায় ফেনীর কাঁচা সবজির আড়তে বাদল নামের একজনকে গণধোলাই     উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফেনীর দাগনভূঞায় আনসার ও ভিডিপি সদস্য বাছাই     সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রতীক পেয়ে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা     সোনালী ব্যাংক নবাবপুর শাখার জন্য জিএম, ডিজিএম এর স্কুল মার্কেট পরিদর্শন     নবাবপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ এ কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মধ্যহ্নভোজের আয়োজন     ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত খোদেজা খানম শাহিন গনি     সোনাগাজীর বগাদানায় ঘূর্নিঝড়ে ভেঙে পড়ছে দিনমজুরের ঘর,   

বিএনপিসহ সংসদ নির্বাচন বর্জনকারীদের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে বাধা নেই-ইসি আলমগীর

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৫, ২০২৩ | সময় : ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ

প্রত্যহ নিউজ: বিএনপিসহ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো যদি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা কর্মসূচি সরকারের অনুমতি নিয়ে পালন করে তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ১৩ ডিসেম্বর বুধবার রাতে নির্বাচন ভবন ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের কাছে এমন ব্যাখ্যা দেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ভোটকে নিরুৎসাহিত করে এমন সভা-সমাবেশের অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয় ইসি।সেই নির্দেশনার ব্যাখ্যায় মো. আলমগীর বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বলা হয়েছে নির্বাচনে যদি কেউ বাধা দেয় বা প্রতিহত করে তাহলে আইন অনুযায়ী এটা অপরাধ। আমরা সেটার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি যে, এই রকম যদি কোনো রাজনৈতিক দল কর্মসূচি দিয়ে থাকে, সেটা করা যাবে না। যদি ভোট বিরোধী বক্তব্য না দেয় শান্তিপূর্ণ এবং সেই কর্মসূচি করার যদি অনুমতি না দেয় তাহলে সেটা মানবাধিকার লঙ্ঘন কিনা- এ বিষয়ে আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই। আমাদের বিষয়টা হলো যে কোনো কর্মসূচি করতে হলে সভা-সমাবেশ করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। সেক্ষেত্রে তারা সরকারের অনুমতি নেবে। সরকার যেখানে অনুমতি দেবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। আমাদের বক্তব্য হলো যদি নির্বাচন বাধা সংক্রান্ত কোনো সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন কর্মসূচি থাকে, সেটাকে যেন অনুমতি না দেওয়া হয়।বিএনপিসহ অনেকে নির্বাচনে আসেনি, তাদের যে কর্মসূচি সেগুলো বন্ধে নির্বাচন কমিশন পার্ট হলো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ ইসি সচিব বলেন, নানা না। আমি আগেই ক্লিয়ার করি যে, সব কর্মসূচি যেই দিক না কেন সেটা যদি নির্বাচনের পথে বাধা, হুমকি বা সন্ত্রাসীমূলক; এই ধরনের কার্যকলাপ, কোনো ভয় দেখায় সেক্ষেত্রে আমরা নিষেধ করেছি। কিন্তু দেশে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা বক্তব্য দেওয়ার অধিকার সংগঠনের আছে। সেটা করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে করতে হয়, সেটা করতে পারবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের অনুমতি দিতে পারবে। এ নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই।নির্বাচনে অংশগ্রহণ যারা করছে না, তাদের সভা-সমাবেশ করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো দলের নাম বলিনি, কে করবে কে করবে না। আমরা বলেছি আমাদের আইনে যেটা আছে নির্বাচনের বিরুদ্ধে যদি কাজ করে।

শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি প্রচলিত নিয়ম মেনে অনুমতি নিয়ে করতে হয়। সেটা পেলে করবে, অসুবিধা তো নেই।এ নিষেধাজ্ঞার ফলে বিএনপিসহ অন্যান্য দলের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হলো কি-না-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, বিএনপি নয়, যে কোনো দল যদি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হয়, আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই। যদি কোনো সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড, ভোটদানে বাধা দেবে, কাল যেমন রেললাইন কেটে দিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড যেন না হয় সেজন্য আমরা বলেছি।সমাবেশ করার অনুমতি দেবে তো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেটা নিয়ে তো আমাদের বাধা নেই।
মন্ত্রণালয়। বিএনপিসহ সংসদ নির্বাচন বর্জনকারীদের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে বাধা নেই-ইসি আলমগীর!

বিএনপিসহ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো যদি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা কর্মসূচি সরকারের অনুমতি নিয়ে পালন করে তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।১৩ ডিসেম্বর বুধবার রাতে নির্বাচন ভবন ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের কাছে এমন ব্যাখ্যা দেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ভোটকে নিরুৎসাহিত করে এমন সভা-সমাবেশের অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয় ইসি।সেই নির্দেশনার ব্যাখ্যায় মো. আলমগীর বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বলা হয়েছে নির্বাচনে যদি কেউ বাধা দেয় বা প্রতিহত করে তাহলে আইন অনুযায়ী এটা অপরাধ। আমরা সেটার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি যে, এই রকম যদি কোনো রাজনৈতিক দল কর্মসূচি দিয়ে থাকে, সেটা করা যাবে না।যদি ভোট বিরোধী বক্তব্য না দেয় শান্তিপূর্ণ এবং সেই কর্মসূচি করার যদি অনুমতি না দেয় তাহলে সেটা মানবাধিকার লঙ্ঘন কিনা- এ বিষয়ে আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই। আমাদের বিষয়টা হলো যে কোনো কর্মসূচি করতে হলে সভা-সমাবেশ করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। সেক্ষেত্রে তারা সরকারের অনুমতি নেবে। সরকার যেখানে অনুমতি দেবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। আমাদের বক্তব্য হলো যদি নির্বাচন বাধা সংক্রান্ত কোনো সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন কর্মসূচি থাকে, সেটাকে যেন অনুমতি না দেওয়া হয়।বিএনপিসহ অনেকে নির্বাচনে আসেনি, তাদের যে কর্মসূচি সেগুলো বন্ধে নির্বাচন কমিশন পার্ট হলো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ ইসি সচিব বলেন, নানা না। আমি আগেই ক্লিয়ার করি যে, সব কর্মসূচি যেই দিক না কেন সেটা যদি নির্বাচনের পথে বাধা, হুমকি বা সন্ত্রাসীমূলক; এই ধরনের কার্যকলাপ, কোনো ভয় দেখায় সেক্ষেত্রে আমরা নিষেধ করেছি। কিন্তু দেশে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা বক্তব্য দেওয়ার অধিকার সংগঠনের আছে। সেটা করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে করতে হয়, সেটা করতে পারবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের অনুমতি দিতে পারবে। এ নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই।নির্বাচনে অংশগ্রহণ যারা করছে না, তাদের সভা-সমাবেশ করতে কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো দলের নাম বলিনি, কে করবে কে করবে না। আমরা বলেছি আমাদের আইনে যেটা আছে নির্বাচনের বিরুদ্ধে যদি কাজ করে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি প্রচলিত নিয়ম মেনে অনুমতি নিয়ে করতে হয়। সেটা পেলে করবে, অসুবিধা তো নেই।এ নিষেধাজ্ঞার ফলে বিএনপিসহ অন্যান্য দলের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ন হলো কি-না-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, বিএনপি নয়, যে কোনো দল যদি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হয়, আমাদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই। যদি কোনো সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড, ভোটদানে বাধা দেবে, কাল যেমন রেললাইন কেটে দিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড যেন না হয় সেজন্য আমরা বলেছি।সমাবেশ করার অনুমতি দেবে তো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেটা নিয়ে তো আমাদের বাধা নেই।